একুশে গ্রন্থমেলার সংখ্যাতাত্ত্বিক বিবর্তন

Scream
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

১৯৭২ সালের (২০-২৬ তারিখ) ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক গ্রন্থবর্ষ উপলক্ষে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে যে-বইমেলার আয়োজন করে সেখানে বিদেশী ৬টি দূতাবাস অংশগ্রহণ করে। বইমেলায় মুক্তধারায় প্রকাশক চিত্তরঞ্জন সাহা, স্ট্যান্ডার্ড পাবলিকেশন্সের রুহুল আমিন ও বর্ণমিছিলের তাজুল ইসলাম চট বিছিয়ে বইয়ের পসরা সাজায়। স্বাধীন বাংলাদেশে এভাবে বইমেলার আয়োজন-যাত্রা শুরু। বইমেলা আরো প্রশস্ত হয় ১৯৭৪ সালের (১৪-২১ ফেব্র“য়ারি) বাংলা একাডেমি আয়োজিত জাতীয় সাহিত্য সম্মেলনে। এ সময় প্রকাশকরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাংলা একাডেমিতে বই বিক্রির ব্যবস্থা করে। এ বইমেলায় বাংলাদেশের প্রকাশনাকে ভারত, সোভিয়েত, ইউনিয়ন, জাপান, জার্মানি, ইংল্যান্ড, হাঙ্গেরি সহ অনেক দেশের আগত প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এরপর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রতিবছর বইমেলা চলতে থাকে অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার মোড়কে।
১৯৮৪ সালে বাংলা একাডেমি মেলার পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে উপযুক্ত মাঠ প্রস্তুত করে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ নাম নিয়ে যাত্রা শুরু করে। ১৯৮৪ সালে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ছিলো ৩৬টি। দিন গড়িয়ে মেলার পরিসর বেড়েছে, চিন্তার ক্যানভাস বড় হয়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে মেলাকেন্দ্রিক নানা সমস্যা। বিশেষত বিগত দশ বছরে (২০০৫-২০১৫) অমর একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজন, আঙ্গিক ও পরিকল্পনায় বিস্তর পরিবর্তন করা হয়েছে।
২০০৫ সাল :
২০০৫ সালে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ৩২১টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৬৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিলো। বাংলা একাডেমি নির্ধারিত ইউনিট প্রতি ভাড়া ছিল ৪,৫০০/-টাকা। ২০০৫ সালে আবেদনপত্র বিক্রয় ও স্টল ভাড়া থেকে আয় হয় ২২,৯৩,০০০/-টাকা। এছাড়া মেলায় বাংলা একাডেমির স্টল থেকে বাংলা একাডেমির প্রকাশিত ৩১,৫২,৬৮৫/- টাকার বই বিক্রি হয়।
২০০৬ সাল :
২০০৬ সালে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ৩১৭টি প্রতিষ্ঠানকে ইউনিটের হিসেবে মোট ৪৭৭টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতি ইউনিটের ভাড়া ছিল ৫,০০০/- টাকা। ২০০৬ সালে বাংলা একাডেমি আবেদনপত্র বিক্রি ও স্টল ভাড়া থেকে আয় হয় ২৩,৭২,০০০/- টাকা। এছাড়া মেলায় বাংলা একাডেমির স্টল থেকে ৩২,২৪,৪৯২/- টাকার বাংলা একাডেমির নিজস্ব বই বিক্রি হয়।
২০০৭ সাল :
২০০৭ সালে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ২৬৭টি প্রতিষ্ঠানকে ইউনিটের হিসেবে মোট ৪১৫টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতি ইউনিট ভাড়া ছিল ৫,০০০/- টাকা। ২০০৭ সালে আবেদনপত্র বিক্রি ও স্টল ভাড়া থেকে আয় হয় ২৩,২৫,০০০/- টাকা। এছাড়া মেলায় বাংলা একাডেমির স্টল থেকে প্রায় ৪৪ লক্ষ টাকার বই বিক্রি হয়। বইমেলার শুরু থেকে স্টলের সাইজ ছিলো প্রতি ইউনিট র্৮  র্৮  র্৮ ।
২০০৭ সালের ৫ বছর পর মেলার আয়োজনের সংখ্যাতাত্বিক হিসেব নিম্নরূপ :
২০১৩ সাল :
২০১৩ সালে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ৪৫৪টি ইউনিটি ২৬৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ২০১৩ সালে ইউনিটের সাইজ ছিল র্৬  র্৮  র্৮ । প্রতি ইউনিটের ভাড়া ছিল ৭,৩১৫/-টাকা, ২ ইউনিট ১৬,৭২০/- টাকা ৩ ইউনিট ২৭,১৭০/- টাকা। সেবছর ভাড়া বাবদ ৩৭,৫৬,৭৭৫/- টাকা আয় হয়। ২০১৩ সালে বইমেলায় ২,৯৬৩টি নতুন বই প্রকাশিত হয়। গ্রন্থমেলায় বাংলা একাডেমি ৬৭,৪০,৭৮০/- টাকার বই বিক্রি করে এবং বাংলা একাডেমিসহ মেলায় মোট বই বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ১৪ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা।
২০১৪ সাল :
২০১৪ সালে গ্রন্থমেলা বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গন পেরিয়ে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে সম্প্রসারিত হয়। সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ২৩১টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ৪২৯টি ইউনিট এবং বাংলা একাডেমির অভ্যন্তরীণ অংশে নজরুল মঞ্চের সামনে শিশু কর্নারে ২৫টি শিশুবিষয়ক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ৩৪টি ইউনিট; সরকারি প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া ও অন্য ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৪টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। এছাড়া ৫৫টি লিটল ম্যাগাজিনকে তাদের প্রকাশনা প্রদর্শন ও বিক্রির জন্য ‘লিটলম্যাগ চত্বর’ হিসেবে স্থান করে দেওয়া হয়। ২০১৪ সালে ভ্যাটসহ প্রতি ইউনিটের ভাড়া ছিল ৭,৩১৫/-, ২ ইউনিট ১৬,৭২০/-, ৩ ইউনিট ২৭,১৭০/- ২০১৪ সালে ২,৯৫৯টি নতুন বই প্রকাশিত হয়। ২৭শে ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত বাংলা একাডেমি ১,১০,২৪,০০০/- টাকার বই বিক্রি করে। ২৭ তারিখ পর্যন্ত গ্রন্থমেলায় মোট বই বিক্রির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকা।
২০১৫ সাল :
২০১৫ সালের গ্রন্থমেলায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৯২টি প্রতিষ্ঠানকে ১২৮টি ইউনিট এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২৫৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৩৭টি ইউনিট সব মিলিয়ে ৩৫৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৬৫টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছিলো। ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো বইমেলায় সংযোগ হয়েছে ৪০০ বর্গফুটের ১২টি প্যাভিলিয়নের। ২০১৫ সালে প্রতি ইউনিটের ভাড়া ভ্যাটসহ ১৩,৮০০/- টাকা ২ ইউনিট ২৮,৭৫০/- টাকা ৩ ইউনিট ৫১,৭৫০/- টাকা। প্রথম বারের মতো বরাদ্দ পাওয়া প্যাভিলিয়নের ভাড়া প্রতিটি ১,১৫,০০০/-টাকা। এ বছর ভাড়া বাবদ আয় হয়েছে ৯৩,৪০,৩০০/- টাকা। ২০১৫ অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে ৩৭০০ বই বিক্রি ২১ কোটি ৯৫ লাখ টাকার বই (এর মধ্যে বাংলা একাডেমির বিক্রির পরিমাণ ছিলো ১,৫৮,৩৫,২৫৮/- টাকা)। ২০১৫ সালের বই মেলায় ক্রেতাদের স্বাচ্ছন্দে চলাফেরার সুবিধার্থে স্টলের সামনে চলাচল-পথে ছিল কমপক্ষে ২০ ফুট করে উন্মুক্ত স্থান।
২০১৫ সালে অমর একুশে গ্রন্থমেলার প্রথম দিনে উদ্বোধন করা হয় আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনের। উল্লেখ্য ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমি প্রথম জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন আয়োজন করেছিলো। ২০১৫ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন একযোগে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা। আর্ন্তজাতিক সাহিত্য সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জার্মানীর হান্স হার্ভাড, ফরাসী লোক ফ্রান্স ভট্টাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ড. পবিত্র সরকার। ১-৪ ফেব্র“য়ারি চলে আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন। যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, ফ্রান্স, জার্মানী, সুইডেন, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, মালয়েশিয়া, ইকুয়েডরসহ বিভিন্ন ভাষায় ৪৮ জন বিদেশী সাহিত্যিক অংশগ্রহণ করে।
২০১৫ সালের সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের আয়োজিত বইমেলা মোটামুটি ঠিকঠাক হয়েছে যদিও ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো বাংলা একাডেমির ছোট গণ্ডি পেরিয়ে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলা নিয়ে যাওয়ায় নতুন পরিবেশে খাপ-খাইয়ে নিতে কিছু প্রতিকূল অবস্থায় পড়তে হয়েছে।
অমর একুশে গ্রন্থমেলা এখন দীর্ঘদিনের জনদাবীকে পূরণ করে বর্ধিত কলেবরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত হচ্ছে। বড় পরিসরের সুবিধায় মৌসুমী প্রকাশকরা বড় বড় স্থান থেকে তদবির করিয়ে কর্তৃপক্ষকে বেকায়দায় ফেলে। স্টল বরাদ্দের ক্ষেত্রে কিছু অনুরোধের ঢেকি গিলতে হয় অপারগ হয়ে। তবে সবাইকে আমলে রাখা উচিত মৌসুমী প্রকাশকদের জায়গা দেওয়ার প্লাটফর্ম একুশে বইমেলা নয়। এই মেলার সঙ্গে বাঙালি জাতিসত্ত্বা ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সংশ্লেষ রয়েছে বলে জনমনে এর গুরুত্ব ও প্রসার অনেক বেশি।
মেলা প্রাঙ্গনের খালি জায়গার যথোপযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে মেলাকে কী ভাবে অধিক পাঠকবান্ধব ও দৃষ্টি নন্দন করা যায় সেই লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। বর্তমানে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলা আয়োজনের যথেষ্ট জায়গা থাকলেও মৌসুমি প্রকাশকদের জায়গা দেওয়া বিবেচনা প্রসূত নয়। কারণ তারা একবার মেলায় স্টল পেলে পরবর্তীতে স্টল পাওয়ার দাবিদার মনে করে। ভবিষ্যতে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের মতো জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা কম, তাই আগামী দিনের প্রতিশ্র“তিশীল প্রকাশকদের কথা ভেবে মেলা খোলামেলা রাখতে হবেÑযাতে পরবর্তীতে আগামী দিনের যোগ্য প্রকাশকদের যথার্থ স্থান পেতে পারে।
অমর একুশে গ্রন্থমেলায় কর্তৃত্বের ভাগাভাগি নয়, প্রয়োজন দায়িত্ব গ্রহণ ও বন্টনের সঙ্গে জুঁটি বাধতে হবে সমন্বয়ের। কারণ এইগ্রন্থমেলা শুধু বাংলাদেশে অবস্থানকারীদের জন্য নয় বরং পাশ্ববর্তী ত্রিপুরা, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ থেকে এশিয়া মাইনর পর্যন্ত বসবাসকারী বিশ্বের ৩৫ কোটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য ভাষাতাত্ত্বিক জাগরণের একটি উৎস ভূমি। অমর একুশে গ্রন্থমেলার ভৌগোলিক বিস্তার ছাপান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রান্তসীমা অতিক্রম করে বাংলা ভাষাভাষী জনমনের জমিনে গভীরতম মাত্রায় সংযোগ।
বাংলাদেশ একটি ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র। জাতীয় মননের চর্চায় অমর একুশে গ্রন্থমেলা প্রতি বছর জাতীয় মননের চর্চাকে স্নাত করে নতুন পলি জমায়। ‘বাংলা একাডেমি জাতীয় মনের প্রতীক’ এই শ্লোগানকে সম্প্রসারিত করে নতুন শ্লোগান তৈরি করেছে’-‘বাংলা একাডেমি বাঙালি জাতিসত্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষের প্রতীক’। এই দর্শনকে সামনে নিয়ে এগিয়ে চলছে বাংলা একাডেমি। নতুন শ্লোগানে বাঙালির দীর্ঘদিনের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিনাশী ধারায় ও মানবিক চৈতন্যে ভাস্বর সমন্বিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের চিত্র পাওয়া যায়।
২০১৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বাংলা একাডেমি আইন ২০১৩ পাশের মাধ্যমে একাডেমির কার্যক্রমের পরিধি সুসংহত ও বিস্তৃত হয়েছে। নতুন আইনের আলোকে বাংলা একাডেমি তার কর্মপরিধি বৃদ্ধি করে চলছে দিকনির্দেশ করে বলছে- বাংলা একাডেমি গবেষণা নিবিড় কেন্দ্র, কর্মকাণ্ডের ভৌগোলিক বিস্তার অর্থাৎ তৃণমূলে কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ ও স্থাপনই বাংলা একাডেমির লক্ষ্য।
অমর একুশে গ্রন্থমেলাকে কেন্দ্র করে যে যোগাযোগের সৃষ্টি হয়েছে তা সাহিত্যের আদান-প্রদান ও ব্যাপ্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক নতুন প্লাটফর্ম। মেলায় আগত এত লেখক পাঠকদের সাহিত্য ভাবনার আদান-প্রদানের ক্ষেত্র হিসেবে অমর একুশে গ্রন্থমেলাকে আমলে নিতে হবে। মেলায় সংযুক্ত বিভিন্ন পক্ষের সৃজনশক্তির সমস্তটা নিগড়ে দিতে হবে যৌথ প্রয়াসে। তবেই এই বইমেলা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পরিচর্যায় আইকন হিসেবে কাজ করবে।

খান মাহবুব গবেষক ও প্রকাশক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সমাজ ও রাজনীতি

শিল্প-সাহিত্য

ক্রীড়া

এবার আকাশে ওড়ার পালা

ফুটবলে আশার আলো মেয়েরা। সেই আলোটা দেখাচ্ছে কৃষ্ণা-সানজিদারা।…

ফিচার

সৌদি মরুভূমিতে বাংলাদেশিদের মরুদ্যান

মরুভূমির দেশ সৌদি আরব। ঊষর মরুর ধূসর বুকেই কিনা গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের সবুজের জয়গান! মরুভূমির ধুলাবালির মাঝে গড়ে উঠছে কৃষিখামার।…

বিনোদন

মা হচ্ছেন সুনিধি চৌহান

সোমবার ছিল বলিউড গায়িকা সুনিধি চৌহানের ৩৩তম জন্মদিন। আর এদিনই জানালেন খুশির খবরটি, মা হতে চলেছেন এই গায়িকা। সম্প্রতি সুনিধি…

বাজার ও অর্থনীতি

সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে সরকারের রেকর্ড

সরকারের সঞ্চয়পত্র বিক্রি রেকর্ড ছাড়িয়েছে। সদ্য সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫২ হাজার ৩২৭ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি করেছে সরকার, যা এ…

রাজধানী

বইয়ের জগৎ

An error occured during creating the thumbnail.

রাতের প্রতিপক্ষ একটি বাতি

অনাত্মীয় সুতোদোর টানাপোড়েনে তৈরি যে ঘনবদ্ধ কাপড় তা আপনার দেহকে ডেকে রাখবে সত্যি কিন্তু মনের আবেগকে না। অন্যের কাছে আত্মীয়হীন…

ইভেন্ট

An error occured during creating the thumbnail.

মায়ের প্রতি ভালবাসা

আজ ১৪ মে রোববার বিশ্ব মা দিবস। মা দিবস একটি সম্মান প্রদর্শন জনক অনুষ্ঠান যা মায়ের সন্মানে এবং মাতৃত্ব, মাতৃক…